বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আহত সাংবাদিক বি এম ইশ্রাফিল বলেন, ‘তুলাসার ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে ভোট নেওয়া হচ্ছিল। আমি একটি কেন্দ্রে এমন দৃশ্য ভিডিও করছিলাম। আওয়ামী লীগের সমর্থকেরা আমাকে ও সহকর্মীদের বাধা দেন। কক্ষ থেকে বের করে আমাকে তাঁরা মারধর করেন। আমরা পাশের একটি এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিলাম, সেখানেও তাঁরা ধাওয়া করেন। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাদের জানানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জামাল হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাংবাদিক ইশ্রাফিল ও রাজিব হোসেনের ওপর হামলার ঘটনাটি দুঃখজনক। সেখানে কী ঘটেছিল, আমি জানি না। তবে আমার কোনো সমর্থক এ হামলা চালাননি। তারপরও আমি সমবেদনা জানাই, দুঃখ প্রকাশ করছি।’

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আক্তার হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাটি মৌখিকভাবে জেনেছেন। লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তুলাসার ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বর্তমান চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন