বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরাফাত টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব আদালতপাড়ার হেনা রহমানের ছেলে। তিনি যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়েন, তখন মায়ের সঙ্গে বাবা আরিফ হোসেনের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। প্রথম দিকে আত্মীয়স্বজনের সহায়তায় তাঁর লেখাপড়া চলতে থাকে। পরে বড় ক্লাসে ওঠার পর পড়াশোনার পাশাপাশি শুরু করেন টিউশনি। ২০১৮ সালে টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে গোল্ডেন জিপিএ–৫ পান। পরে ঢাকার নটর ডেম কলেজ থেকে ২০২০ সালে এইচএসসিতেও গোল্ডেন জিপিএ–৫ পান।

আরাফাতের মা হেনা রহমান ডায়াবেটিস, অ্যাজমাসহ নানা রোগে আক্রান্ত। লেখাপড়ার পাশাপাশি টিউশনি এবং আত্মীয়স্বজনদের সহায়তায় তাঁদের চলতে হয়। এ অবস্থায় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং লেখাপড়ার খরচ কীভাবে জোগাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আরাফাত ও তাঁর মা।

হেনা রহমান বলেন, কীভাবে ছেলেটাকে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবেন, সে চিন্তায় তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। অনেক কষ্ট করে ছেলেকে এ পর্যন্ত পড়িয়েছেন। এখন একটু সহায়তা পেলে ছেলের স্বপ্ন পূরণ হতো।

আরাফাত বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি তাঁর লেখাপড়ার জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করত, তাহলে তাঁর প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ হতো। না হলে তাঁর ভর্তি ও পড়াশোনা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন