বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কক্সবাজারের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ৮ মার্চ সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। তদন্তে শুধু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতারণা ও জাল দলিল সৃজন করতে অন্য তিনজনের নাম-ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে দাবি করে তদন্তকারী কর্মকর্তা তাঁদের নাম আসামির তালিকা থেকে বাদ দেন।

মামলার বাদী সাকেরা বেগমের আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর আদালত আসামি জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত না হওয়ায় আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে চার সপ্তাহের জামিন নেন জাহাঙ্গীর আলম। ২১ অক্টোবর নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার কথা থাকলেও জাহাঙ্গীর ওই দিন হাজির না হওয়ায় চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আবারও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ২৪ অক্টোবর আসামি জাহাঙ্গীর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং নিজেকে অসুস্থ বলে দাবি করেন।

আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করে ৩১ অক্টোবর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলেন। আজ তিনি আদালতে হাজির হলেও অসুস্থতার প্রমাণস্বরূপ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এ কারণে আদালত তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন