বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, মোজাম্মেল হক ব্যারিস্টার নন। তিনি মিথ্যা পরিচয় দিয়ে জমিজমার কাজ করে দেওয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নিতেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। রঞ্জু মণ্ডল তাঁকে সহযোগিতা করতেন।

শেরপুর থানা–পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সাচ্চু বিশ্বাস বলেন, গতকাল এই দুজনের নামে শেরপুর থানায় মামলা করেন উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের ধাওয়াপাড়া গ্রামের রুবেল হাসান। বাদীর জমিজমার কাগজে সমস্যা থাকায় হাইকোর্টের মাধ্যমে তা ঠিক করে দেওয়ার নামে তাঁর কাছ থেকে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেন মোজাম্মেল হক। একইভাবে প্রতারণা করে বাদীর নিকটাত্মীয় কুসুম্বি ইউনিয়নের খিকিন্দা গ্রামের ফারুক হোসেনের কাছ থেকে ৫০ হাজার ও বাবলু মিয়ার কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়েছেন তিনি।

এসআই সাচ্চু বিশ্বাস আরও বলেন, মোজাম্মেল হকের গ্রেপ্তারের খবর শুনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের আরও পাঁচজন থানায় এসে জানিয়েছেন, প্রতারণা করে তাঁদের কাছ থেকেও লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।

শেরপুর থানা–পুলিশ সূত্র জানায়, মোজাম্মেল হকের নামে নাটোরের সিংড়া থানায় প্রতারণার অভিযোগে একটি ও মারামারির ঘটনায় তিনটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে সিংড়া থানার দুটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাতে এই ভুয়া ব্যারিস্টার ও তাঁর সহযোগীর নামে মামলা করা হয়। ওই মামলায় আজ বুধবার তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাঁদের বগুড়ার কারাগারে পাঠানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন