আহত তিনজন চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সাংসদ মাহফুজুর রহমানের অনুসারী এবং হামলাকারীরা মাইটভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের অনুসারী বলে জানা গেছে।

যুবলীগ কর্মী রামিমের নেতৃত্বে সাত-আটজন মিলে প্রথমে নাজিমকে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় নাজিমের হাতের তালু কেটে যায়। এ ছাড়া বাবরকে বেধড়ক মারধর করেন তাঁরা।

আহত মোহাম্মদ আজিজ প্রথম আলোকে বলেন, আজ বেলা সোয়া দুইটার দিকে তাঁর ছোট ভাই নাজিম ও বাবর একটি মোটরসাইকেলযোগে কারামতিয়া মাদ্রাসা এলাকায় যান। সেখানে তাঁদের মোটরসাইকেলটি নষ্ট হয়ে গেলে মাদ্রাসার মোড়ে একটি গ্যারেজে মোটরসাইকেলটি ঠিক করতে নিয়ে যান। তখন যুবলীগ কর্মী রামিমের নেতৃত্বে সাত-আটজন মিলে প্রথমে নাজিমকে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় নাজিমের হাতের তালু কেটে যায়। এ ছাড়া বাবরকে বেধড়ক মারধর করেন তাঁরা। ঘটনা শুনে তিনি দৌড়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁকেও রামিমের লোকজন আঘাত করলে তাঁর ডান চোখে আঘাত পান। হামলাকারীরা মাইটভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের অনুসারী বলে জানান তিনি।

জানতে চাইলে মাইটভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, নাজিম পেশাদার চোর। সম্প্রতি রামিমের মোবাইল চুরির মামলায় তিন মাসের জেল খেটে নাজিম জামিনে আসেন। এ বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। যার কারণে দুই পক্ষের মারামারি হতে পারে।

সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বশির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা হয়েছে। একজনের হাত কেটে গেছে, অন্যজন পিটুনির শিকার হয়েছেন। আরেকজনের আহত হওয়ার বিষয়ে তিনি জানেন না। হামলার শিকার ব্যক্তিরা মামলা দিতে চাইলে তাঁরা নেবেন বলে জানান। তবে এ ঘটনায় রামিম নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানান ওসি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন