default-image

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় এক গণমাধ্যমকর্মীকে জড়ানো হয়েছিল। আজ বুধবার সকালে এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী পক্ষের লোকজন।

শ্রীপুর প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি মাহফুল হাসান আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় দৈনিক দিনকালের স্থানীয় সাংবাদিক বশির আহমেদকে আসামি করা হয়। এ নিয়ে শ্রীপুরে সাংবাদিক সংগঠনগুলো সরব হয়ে উঠে। বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সামনে অনশন কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। অনশন শুরুর আগেই মামলার বাদী বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাজী খানের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজ উদ্দিন, সাবেক সভাপতি মোতালেব হোসেন, বিএনপির মেয়র প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব হুমায়ূন কবিরসহ বেশ কয়েকজন নেতা–কর্মী। মামলায় সাংবাদিক বশির আহমেদের নামটি ভুলবশত এসেছে বলে তাঁরা দুঃখ প্রকাশ করেন। দ্রুত আইনগতভাবে তাঁর নামটি বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপর গণমাধ্যমকর্মীরা কর্মসূচি স্থগিত করেন।

বিজ্ঞাপন

শ্রীপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, মামলার বাদীপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বলেছেন আইনগতভাবে সাংবাদিকের নাম বাদ দেওয়া হবে। তাই আপাতত সাংবাদিকদের প্রতিবাদ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি ফয়সালা হয়েছে।

গত ১০ জানুয়ারি শ্রীপুরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ মনোনীত দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ওই দিন রাতে শ্রীপুর থানায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা হয়। শ্রীপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম বাদী হয়ে ১১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২০০-২৫০ জনকে আসামি করে মামলা দিয়েছেন। একই দিন বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী কাজী খান বাদী হয়ে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০০-২৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এই মামলায় দৈনিক দিনকাল পত্রিকার শ্রীপুর উপজেলা প্রতিনিধি বশির আহমেদকে আসামি করা হয়।

মন্তব্য করুন