বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, রহিমা খাতুন গতকাল সন্ধ্যায় তার মা জুহুরা খাতুনের কাছ থেকে ১০ টাকা নিয়ে চিপস কেনার জন্য বাড়ির কাছে দোকানে যায়। এরপর আর সে বাড়ি ফেরেনি। সারা রাত অনেক খোঁজাখুজির পরও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

আজ সকালে পাশের বাড়ির শাহিন মিয়ার ছেলে রাজা মিয়ার (২০) ঘরে মাটি খোঁড়া দেখতে পাওয়ার বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। একপর্যায়ে রহিমার বাড়ির লোকজনও বিষয়টি জানতে পারে।

পুলিশ জানায়, আজ সকালে পাশের বাড়ির শাহিন মিয়ার ছেলে রাজা মিয়ার (২০) ঘরে মাটি খোঁড়া দেখতে পাওয়ার বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। একপর্যায়ে রহিমার বাড়ির লোকজনও বিষয়টি জানতে পারে। কৌতূহলী মানুষ সেখানে গিয়ে একটু মাটি সরাতেই একটি হাত দেখতে পায়। রহিমার বাড়ির লোকজন নিশ্চিত হয় এ হাত রহিমার।

বেলা ১১টার দিকে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে রহিমার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। এদিকে ঘটনার পর থেকে রাজা মিয়া পলাতক।

এ ঘটনায় ওই বাড়িতে থাকা রাজা মিয়ার নানি হালিমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। তবে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
মো. আমিরুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মিঠাপুকুর থানা, রংপুর

মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে শিশুটিকে ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মেয়েটির চিৎকারে ধরা পড়ার ভয়ে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ ঘরের খাটের নিচে পুঁতে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই বাড়িতে থাকা রাজা মিয়ার নানি হালিমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। তবে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন