বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রানী দাস পুলিশকে জানিয়েছে, নিহত শিশু রাহুলের পরিবারের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ ছিল। বিরোধের জেরে ১৬ এপ্রিল দুপুরে রাহুলকে শ্বাস রোধ করে হত্যার পর নিজ ঘরের খাটের নিচে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে মুড়িয়ে রেখেছিলেন রানী দাস। এক দিন পর ১৭ এপ্রিল গভীর রাতে বাঁশঝাড়ে ওই লাশ ফেলে দেন তিনি।

নিহত শিশু রাহুল দাস নগরের হাওলাদারপাড়া এলাকার রুবেল দাসের ছেলে। রুবেল দাসের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে। তবে তিনি পরিবার নিয়ে নগরের কালীবাড়ি হাওলাদারপাড়া এলাকার বাবুল দেবের কলোনিতে বাস করেন। গ্রেপ্তার রানী দাস তাঁর প্রতিবেশী।

নিহত শিশু রাহুলের পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ১৬ এপ্রিল দুপুর থেকে শিশু রাহুল দাস নিখোঁজ হয়। ছেলের সন্ধানে রুবেল মাইকিংসহ আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুজি করেন। এ ঘটনায় ওই দিনই তিনি সিলেটের জালালাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এর মধ্যে গতকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় লোকজনেরা ওই শিশুর বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়ে এক শিশুর অর্ধগলিত লাশ পড়ে থাকতে দেখে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) বি এম আশরাফ উল্যাহ বলেন, লাশ উদ্ধারের ঘটনায় শিশুটির প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এ সময় রানী দাস নামের এক নারীর আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে ওই নারী শিশু রাহুলকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে পর লাশ গুমের ঘটনায় ব্যবহৃত ট্রলি ব্যাগ এবং রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে পুলিশ।

সিলেটের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হুদা খান বলেন, শিশু রাহুল খুনের ঘটনায় এক নারীকে আসামি করে অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে গতকাল রাতে রুবেল দাস বাদী হয়ে মামলা করেন। এ বিষয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন