এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাপ্টিস্ট চার্চ ফেলোশিপের (বিবিসিএফ) জ্যেষ্ঠ পালক রেভা. জন ব্রাইট গাজী, পালক রেভা. এবরিসন পতাম, সিলেট প্রেসবিটারিয়ান সিনডের সহসাধারণ সম্পাদক ফিলা পতমী প্রমুখ। আলোচনা সভার ফাঁকে ফাঁকে সংগীত পরিবেশন করেন কালেঞ্জি খাসিয়াপুঞ্জি প্রেসবিটারিয়ান মান্ডলিকের সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে আসা খাসিয়া জনগোষ্ঠীর খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী সেরেন্দীপ পামথেত বলেন, ‘শ্রীমঙ্গলে প্রথমবার ইস্টার সানডের অনুষ্ঠান হচ্ছে, তাই ভোরবেলায় পরিবারের লোকজনের সঙ্গে এসেছি। আমরা এখানে আসতে পেরে খুবই আনন্দিত। কারণ, দিনটি আমাদের কাছে অনেক বড় একটি দিন। এত বড় পরিসরের এই আয়োজনে আসতে পেরে বেশ ভালো লাগছে। আমরা এখানে প্রার্থনা করেছি, গান করেছি সবার সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ হয়েছে। সব মিলিয়ে দারুণ।’

পুনরুত্থান সূর্যোদয় আন্তমান্ডলিক উপাসনা কার্যকরী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ম্যাথিও রয় প্রথম আলোকে বলেন, আজকের এই দিনে খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট মৃত্যু থেকে পুনরুত্থান করেছিলেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব স্থানে খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় ইস্টার সানডে পালন করছেন। শ্রীমঙ্গল উপজেলায় এবার প্রথমবারের মতো ইস্টার সানডের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ম্যাথিও রয় আরও বলেন, ‘আমরা বড় আয়োজন করেছি। এখানে কাথলিক, ব্যাপ্টিস্ট, প্রেসবিটারিয়ান, ন্যাজরিন মিশনসহ সব খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী প্রার্থনায় অংশ নিয়েছেন। এখানে আমরা ভ্রাতৃত্ববন্ধনের সঙ্গে উপাসনা করেছি। আমরা চাই আমাদের পুনরুত্থিত প্রভু যিশুখ্রিষ্টের মধ্য দিয়ে আমরা সবার জন্য প্রার্থনা করতে পারি। এ দেশের জন্য প্রার্থনা করতে পারি, এ দেশের মানুষের জন্য প্রার্থনা করতে পারি। আমরা যে সুন্দর দেশে বাস করছি, সেই দেশ যেন আরও সুন্দর হয়। আমরা সব ধর্ম, সব বর্ণ মিলে যেন একসঙ্গে বাস করতে পারি এবং যার যার ধর্ম অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তার আরাধনা করতে পারি। আমাদের প্রার্থনা প্রতিটি মানুষের জন্য।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন