বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টিকার সার্বিক মজুত প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে ওয়ার্ড পর্যায়ে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জানুয়ারি মাসে অন্তত ৪ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। এতে আশা করা যায়, আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে ১২ কোটি ৫০ লাখ মানুষের দ্বিতীয় ডোজ সম্পন্ন করা যাবে। এদিকে বর্তমানে ৫ কোটি টিকা হাতে আছে। আরও ৩১ কোটি টিকা দেশে আনা হবে। তাই টিকার অভাব হবে না। সুরক্ষা অ্যাপে যাঁরা রেজিস্ট্রেশন করেননি, তাঁরাও টিকা নিতে পারবেন। প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্র বা মুঠোফোন নম্বরের মাধ্যমে টিকা দেওয়া হবে।

এদিকে দেশের বর্তমান করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরে যাত্রীদের স্ক্যানিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। দেশের বাইরে থেকে সংক্রমিত কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে দেশে যেন অমিক্রন না ছড়ায়, সে জন্য সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দেশে করোনা পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত ভালো রয়েছে। তবে সংক্রমণের হার বেড়ে গেলে লকডাউনের চিন্তা করতে হবে।

default-image

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক সামিউল ইসলাম, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির পরিচালক শামসুল হক, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মহিউদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমান, কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন, জেলার সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) লুৎফর রহমান, ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন