বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতালে ভর্তি ইমন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। তখন আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে কর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। লোকজন ছোটাছুটি করছিল। আমি রাস্তার বিপরীত পাশে যাই। এ সময় কিছু দুর্বৃত্ত এসে আমাকে ও পাশে থাকা মামুনকে ছুরি মারে। পরে সেখানে উপস্থিত লোকজন আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।’

ওসি বলেন, আহত দুজনের কেউ মুখ খুলছেন না। প্রকৃত ঘটনা এখনো জানা যায়নি।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আহম্মেদ তারেক শামস বলেন, মামুনের শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাঁর অবস্থা গুরুতর। তবে ইমন এখন শঙ্কামুক্ত।

জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, আহত দুজনের কেউ মুখ খুলছেন না। প্রকৃত ঘটনা এখনো জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, দলীয় লোকজনের মধ্যে পূর্বের কোনো শত্রুতা থেকে তাঁদের কেউ ছুরি মারতে পারে। এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন