বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফরিদপুরে হাজার হাজার লোকের উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্মেলন হতে হবে উল্লেখ করে মির্জা আজম বলেন, আওয়ামী লীগে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আছেন ১৭ জন। এর মধ্যে ১০ জন ঢাকা বিভাগের এবং তাঁদের মধ্যে ৩ জন ফরিদপুর জেলার। তাই এ জেলার সম্মেলন এমনভাবে হতে হবে, যা অন্যান্য জেলার কাছে একটা মডেল হতে পারে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চার মাস অন্তর একটি বর্ধিত সভা, ছয় মাস অন্তর কর্মিসভা এবং এক বছরে একটি জনসভা আয়োজনের বিধান আছে। কিন্তু অধিকাংশ জেলায় এটা মানা হয় না। সর্বশেষ ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৬ সালের ২২ মার্চ, পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে ২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর। ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল—ছয় বছরের মধ্যে এই প্রথম জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ফরিদপুরে সম্মেলন হচ্ছে মন্তব্য করে মির্জা আজম বলেন, নিয়মানুযায়ী প্রথমে ইউনিয়ন, পরে উপজেলা এবং সর্বশেষে জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু বিশেষ কারণে ফরিদপুরে কাজ শুরু হচ্ছে ওপর দিক থেকে। তাই সবার আগে জেলার সম্মেলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক হোসেন ও আবদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। জেলা নেতাদের মধ্যে সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপুল ঘোষ, বর্তমান সহসভাপতি শামীম হক ও এ কে আজাদ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেন এবং জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ও ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র অমিতাভ বোস উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিল আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সাংসদ কাজী জাফরউল্যাহর। তবে ভাইয়ের অসুস্থতার কারণে তিনি বিদেশে থাকায় সম্মেলনে যোগ দিতে পারেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন