বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুবাইপ্রবাসী নারী মুন্নী খাতুন বলেন, তিনি পাঁচ বছর পর দুবাই থেকে নিজ এলাকা সাতক্ষীরা সদর উপজেলার উত্তর কাঠিয়া গ্রামে ফিরে আসেন। তিনি স্থানীয় রফিকুল ইসলামের মেয়ে। দেশে ফেরার পর করোনার কারণে তিনি আটকা পড়েন। পুনরায় দুবাই যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ জন্য আগামীকাল শনিবার (৯ অক্টোবর) ঢাকায় তাঁর মেডিকেল করার কথা রয়েছে। তিনি গতকাল রাত ৮টার পর সাতক্ষীরা থেকে হানিফ পরিবহনের বাসে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেন। বাসটি গোয়ালন্দের ঘাট এলাকায় যানজটে আটকা পড়ে। গভীর রাতে তাঁরা দৌলতদিয়া ক্যানাল ঘাট হোসেন মণ্ডলপাড়ায় পৌঁছালে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় তিনি বাসের ২ নম্বর আসনে জানালার কাছে বসেছিলেন। পাশে ভ্যানিটি ব্যাগ রেখে ঘুমিয়ে গেলে ছিনতাইকারীরা জানালা দিয়ে ব্যাগটি নিয়ে যায়।

আচমকা টান দেওয়ায় ঘুম ভেঙে গেলে ছিনতাইকারী বলে চিৎকার করে পিছু নেন তিনি। এতে তাঁর পা কেটে যায়। স্থানীয় লোকজন তাড়া করে বাদশাকে আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে মহাসড়কে টহলরত গোয়ালন্দ ঘাট থানার পুলিশকে জানালে আটক তরুণকে নিয়ে যায়। এ সময় তাঁকে (প্রবাসী নারী) ও আটক করা বাদশাকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ব্যাগটি উদ্ধার করা হয়। তবে বাদশার সঙ্গে থাকা আরও দুই ছিনতাইকারী পালিয়ে যান। ওই ব্যাগে তিনটি পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কিছু টাকা ছিল।

পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র পেলেও টাকা ও আনুষঙ্গিক আর কিছু পাওয়া যায়নি।
মুন্নী খাতুন বলেন, ‘শনিবার মেডিকেল করতে না পারলে দুবাই যাওয়া অনিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুবাইয়ে বড় বোন ও এক ভাই রয়েছে। সেখানে তাদের সঙ্গে থাকি। এখন জরুরিভাবে পাসপোর্ট দরকার। তবে পুলিশ বলেছে, আগামী রোববার আদালতের মাধ্যম ছাড়া পাসপোর্ট দিতে পারবে না। এ কারণে অনেক ঝামেলায় পড়েছি।’ এ ঘটনায় শুক্রবার তিনি একটি মামলা করেছেন।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল তায়াবীর বলেন, এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় এক ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়েছে। খোয়া যাওয়া পাসপোর্টটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও দুজনকে পুলিশ খুঁজছে। পাসপোর্টটি আগামী রোববার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন