বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রেলস্টেশনে ঢোকা ও বের হওয়ার জন৵ রয়েছে দুটি আলাদা লেন। এর মধ্যে বাঁ পাশের লেন ঢোকার ও ডান পাশের লেন বের হওয়ার জন্য ব্যবহৃত হতো। বাঁ পাশের লেনে চারটি বাস দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। পথটি বন্ধ থাকায় বের হওয়ার লেন দিয়ে আসা–যাওয়া করছেন যাত্রীরা।

বেলা সোয়া একটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পারাবত এক্সপ্রেস সিলেট রেলস্টেশনে এসে পৌঁছায়। এ সময় যাত্রীরা রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে করে স্টেশন থেকে বের হয়ে আসেন। অনেকে আবার বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে স্টেশনে প্রবেশ করছিলেন। ফলে সেখানে যানজট দেখা দেয়।

স্টেশনের প্রবেশমুখে এ সময় ‘শুভযাত্রা পরিবহন’ নামের একটি বাস ধোয়ামোছার কাজে ব্যস্ত ছিলেন আলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, সন্ধ্যার দিকে বাসটি এখান থেকে ছেড়ে যাবে। এখন ধোয়ামোছা করে নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে এ স্থানেই বাস রাখা হয়। কেউ তাঁদের নিষেধ করেননি। এ সময় আরও তিনটি বাস দাঁড় করিয়ে চাকা মেরামত ও ধোয়ামোছার কাজ করতে দেখা গেছে।

রেলস্টেশনের যাত্রীরা বলছেন, প্রায় দুই বছর ধরে পরিবহনশ্রমিকেরা স্টেশনের প্রবেশমুখ দখল করে বাস রাখছেন। এতে স্টেশনের গেটে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। বিষয়টিতে রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষের ভ্রুক্ষেপ নেই।

পারাবত এক্সপ্রেসে করে সিলেটে আসা যাত্রী শাহনেওয়াজ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে দেখছি স্টেশনের প্রবেশমুখে বাস রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এতে আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অনেক সময় যানজটে আটকে থাকতে হয়।’

সিলেট রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. খলিলুর রহমান বলেন, কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকবার বাসচালক ও শ্রমিকদের নিষেধ করেছে। কয়েক দিন বন্ধ থাকার পর তাঁরা ফের একই স্থানে বাস রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন। বিষয়টি স্থায়ী সমাধানের জন্য সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে রেলওয়ে পুলিশকে কঠোর অবস্থান অবলম্বন করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (ট্রাফিক বিভাগ) ফয়সল মাহমুদ বলেন, সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের নির্মাণকাজ চলছে। টার্মিনালে যানবাহন রাখার বিকল্প কোনো স্থান না থাকায় অনেক সময় বাস সড়কের পাশে রাখতে হচ্ছে। স্টেশনের প্রবেশমুখে যাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন