বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গাউসিয়া বেকারির মালিক আওরঙ্গজেব বলেন, প্রতিবছর রমজান মাসের শুরুতে বিভিন্ন পাড়া–মহল্লায় অল্প টাকায় বেশি লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ব্যবসা শুরু করেন। তাঁরা কারখানাতে কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানেন না। এ ছাড়া তাঁদের কোনো বৈধ কাগজপত্রও নেই। মাসখানেক ধরে এসব অবৈধ মৌসুমি কারখানায় সেমাই তৈরি হচ্ছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ও বিশিষ্ট চিকিৎসক শেখ নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি সেমাই খেয়ে অনেক রোজাদার, সাধারণ মানুষ পেটের পীড়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। রং ও অন্যান্য রাসায়নিক মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। খাদ্যদ্রব্যে মেশানো রং মানুষের পেটে গেলে তা গ্যাস্ট্রিক, আলসার থেকে ক্যানসারের কারণ হতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শামসুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, পচা ডিম, প্রাণিজ চর্বি, কৃত্রিম ঘি ও সুগন্ধিমিশ্রিত সেমাই তৈরি যাতে না হয়, সে জন্য কারখানাগুলো নজরদারিতে রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়ে এসব ভেজাল কারখানায় নিয়মিত অভিযান চালানো হবে এবং কোনো প্রকার অনিয়ম পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন