প্রেমই কেড়ে নিল হৃদয়ের জীবন

বিজ্ঞাপন

পাবনার ঈশ্বরদীতে হৃদয় হোসেন (২২) নামের এক কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ রোববার বিকেলে দুই যুবক তাঁকে অচেতন অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে যান। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
হৃদয় উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের মাঝদিয়ার ইসলামপুর গ্রামের আবদুল হামিদের ছেলে। তিনি ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষে পড়তেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

নিহত হৃদয়ের স্বজনদের দাবি, প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে পাশের গ্রামের একটি মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে গেলে মেয়েটির ভাইয়েরা হৃদয়কে পিটিয়ে হত্যার পর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাশের গ্রামের একটি মেয়ের সঙ্গে হৃদয়ের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। দুজন মুঠোফোনে খুদেবার্তা আদান–প্রদান করতেন। সম্প্রতি মেয়েটির পরিবার বিষয়টি টের পায়। এরপর থেকেই তাঁর দুই ভাই হৃদয়ের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন। গতকাল দুপুরে হৃদয় মেয়েটির গ্রামে গেলে ক্ষিপ্ত দুই ভাই তাঁকে আটক করে মারপিট করেন। একপর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে রেখে পালিয়ে যান তাঁরা।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) শফিকুল ইসলাম বলেন, মৃত অবস্থাতেই ছেলেটিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁর সঙ্গে কাউকে না পেয়ে বিষয়টি থানায় জানানো হয়।
হৃদয়ের চাচা সেলিম হোসেন বলেন, বিকেলে হঠাৎ করে তাঁরা হৃদয়ের মৃত্যুর খবর পান। এরপর হাসপাতালে ছুটে গিয়ে লাশ দেখতে পান। তবে কারা, কী কারণে হৃদয়কে হত্যা করেছেন, তা এখনো বুঝতে পারছেন না।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাসির উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, প্রেমের সম্পর্কর কারণেই মেয়েটির দুই ভাই হৃদয়কে আটকে মারপিট করেছেন। এরপর তাঁরাই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ঘটনার পর থেকে দুই ভাই পলাতক।
ওসি জানান, লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত তরুণের স্বজনেরা মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। দুই ভাইকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তাঁদের ধরতে পারলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন