মামলার সূত্রে জানা গেছে, যশোর শহরের আকাশ (২০) নামের এক তরুণের সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত শনিবার সন্ধ্যায় তারা শহরের একটি মেলায় ঘুরতে যায়। সেখান থেকে আকাশ এবং তাঁর দুই বন্ধু তাওসিন বিল্লাল ও আরাফাত ওই কিশোরীকে যশোর বিমান অফিস মোড়ে অবস্থিত যুবলীগনেতা রফিকুল ইসলামের অফিসকক্ষে নিয়ে যান।

সেখানে রফিকুলের দেহরক্ষী পুরাতন কসবা কাজীপাড়ার বছির আহম্মেদের ছেলে শহীদ (৪৩) তাকে ধর্ষণ করেন। এ সময় আরাফাতসহ অন্যরা ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে সে চিৎকার দেয়। পরে আকাশ, আরাফাত, বিল্লাল তাকে বাসায় পৌঁছে দিতে গেলে চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে কোতোয়ালি থানার টহল পুলিশ তাঁদের থামায়। এ সময় ওই কিশোরী পুলিশকে সব খুলে বলে।

একপর্যায়ে তার সঙ্গে থাকা তিনজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের আটক করে। পরে ওই তিনজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল দুপুরে শহরের কাঁঠালতলা থেকে রফিকুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ।

জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (অপারেশন) বি এম আলমগীর হোসেন বলেন, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন