default-image

নাটোর শহরের বড়হরিশপুর এলাকায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে তরুণীকে ডেকে এনে গত শুক্রবার ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শনিবার রাতে চার তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার চারজন হলেন নাটোর শহরের হরিশপুর এলাকার সাদ্দাম হোসেন (২১), রুবেল হোসেন (২২) ও ফারুক হোসেন (২০) এবং নলডাঙ্গা উপজেলার পাটুল এলাকার রাশেদ হোসেন (২২)।

আজ দুপুরে পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন
ওই তরুণীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। তিনি ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন। রাশেদ বাসের চালকের সহকারী। ঢাকায় যাতায়াতের সুবাদে মেয়েটির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
default-image

সংবাদ সম্মেলনে এসপি লিটন কুমার সাহা বলেন, ওই তরুণীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। তিনি ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন। রাশেদ বাসের চালকের সহকারী। ঢাকায় যাতায়াতের সুবাদে মেয়েটির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত বৃহস্পতিবার মেয়েটিকে রাশেদ তাঁর বাড়িতে আসতে বলেন। সেখানে এলে রাশেদ পরদিন মেয়েটিকে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। কিন্তু কারও বাড়িতে না নিয়ে রাশেদ মেয়েটিকে নাটোর শহরের হরিশপুর এলাকার রাজিবপুর মহল্লার একটি পরিত্যক্ত গোয়ালঘরে নিয়ে যান। সেখানে মেয়েটিকে সাদ্দাম, রুবেল ও ফারুক ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় মেয়েটি নাটোর সদর থানায় অভিযোগ করেন। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ধর্ষণের আলামত পায়। পুলিশ মেয়েটিকে তাদের হেফাজতে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই চারজনকে শনাক্ত করে। শনিবার রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

এসপি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া তরুণেরা পুলিশের কাছে অপরাধ স্বীকার করেছেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে মেয়েটিকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন