মির্জাপুর পৌরসভার উপনির্বাচন

প্রয়াত মেয়রের স্ত্রীকে প্রার্থী করার সুপারিশ আ.লীগের

বিজ্ঞাপন
default-image

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার উপনির্বাচনে প্রয়াত মেয়র মো. সাহাদৎ হোসেনের স্ত্রী সালমা আক্তার শিমুকে একক প্রার্থী হিসেবে প্রস্তাব করছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মীর এনায়েত হোসেনের কার্যালয়ে দলীয় প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত হয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
দলীয় নেতা-কর্মীরা আমাকে যে সম্মান জানিয়েছেন, সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি তাঁদের সঙ্গে নিয়ে পৌরবাসীর জন্য প্রয়াত মেয়রের অসমাপ্ত কাজ যেন শেষ করতে পারি, সে জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।
সালমা আক্তার, মির্জাপুর পৌরসভার প্রয়াত মেয়র মো. সাহাদৎ হোসেনের স্ত্রী

বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে মির্জাপুর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে দলের কয়েকজন নেতা মনোনয়নের প্রত্যাশায় কাজ করে যাচ্ছিলেন। এরই মধ্যে পৌরসভার মেয়র পদটি শূন্য থাকায় গত রোববার নির্বাচন কমিশন থেকে উপনির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হয়। আগামী ১০ অক্টোবর উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে। এতে অংশ নিতে নেতারা প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে প্রয়াত মেয়র মো. সাহাদৎ হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধার পাশাপাশি নেতা-কর্মীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবং প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা করে তাঁর স্ত্রী সালমা আক্তারকে দলীয় প্রার্থী মনোনীত করা হয়েছে। দলের মনোনয়নের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে একক প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রে তাঁর নাম প্রস্তাব করা হবে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভায় অন্যদের মধ্যে নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাবেক মেয়র মোশারফ হোসেন, মির্জাপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরহাদ উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. আবুল হোসেন, যুবলীগের আহ্বায়ক শামীম আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সালমা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘দলীয় নেতা-কর্মীরা আমাকে যে সম্মান জানিয়েছেন, সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি তাঁদের সঙ্গে নিয়ে পৌরবাসীর জন্য প্রয়াত মেয়রের অসমাপ্ত কাজ যেন শেষ করতে পারি, সে জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।’

২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর মির্জাপুর পৌরসভার সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মো. সাহাদৎ হোসেন বিজয়ী হন। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর ১ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগ মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন