বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আছাদুজ্জামান বলেন, ‘এ অবস্থায় ২০১৮ সালের ৭ জানুয়ারি আমি ইউএনওর কার্যালয়ে (ইউএনওর নির্বাহী আদালত) একটি মামলা করি। ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি মামলার শুনানি শেষে মামলার বিবাদীদের ওই জমিতে না যাওয়া জন্য আদেশ দেওয়া হয়। কিন্তু আফির উদ্দিন ও তাঁকে সহায়তাকারীরা এ আদেশ মানেননি। পরে চলতি বছরের ২২ আগস্ট সহকারী জজ আদালতে আমি বাদী হয়ে আবার একটি মামলা করি। ২৩ নভেম্বর আফির উদ্দিনসহ বিবাদীদের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ও তাঁদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন আদালত। কিন্তু আফির উদ্দিন এবং ওই প্রভাবশালী চক্র আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও নোটিশকে পাত্তা দিচ্ছে না।’

বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য তিনি উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আফির উদ্দিন বলেন, ‘আমাকে জড়িয়ে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটি মিথ্যা ও বানোয়াট।’

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেদুয়ানুল হালিম প্রথম আলোকে জানান, এ ঘটনায় দুই পক্ষকেই ডেকে কথা বলা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন