default-image

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা সদরে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর (১৪) বিয়ে হচ্ছিল গোপনে। বাইরের মানুষ যাতে বুঝতে না পারেন, সে জন্য বাড়ির প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভেতরে চলছিল বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। আজ শুক্রবার অভিযান চালিয়ে বিয়েটি বন্ধ করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু রাসেল ওই অভিযান চালান। বাল্যবিবাহ দেওয়ার অপরাধে তিনি একই দিন আরও দুটি বউভাতের অনুষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে বর ও কনের বাবাকে জরিমানা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

ভ্রাম্যমাণ আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আজ বেলা দুইটার দিকে খুবজীপুর ইউনিয়নে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীর বউভাতের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে অভিযান চালিয়ে বর শহিদুল ইসলামকে (২২) আটক করা হয়। ১৫ হাজার টাকা জরিমানা ও মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পান তিনি। এক সপ্তাহ আগে গোপনে মেয়েটিকে বিয়ে করেছিলেন শহিদুল।

সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ধারাবারিষা ইউনিয়নে উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীর বউভাতের অনুষ্ঠান চলছিল। বাল্যবিবাহ দেওয়া অপরাধে মেয়েটির বাবাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত মেয়েটিকে বাবার বাসায় রাখতে হবে মর্মে মুচলেকা নেওয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু রাসেল বলেন, আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলা সদরে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয়। গোপনে পাওয়া সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালান তিনি। অভিযানের মুখে বিয়ে না করেই ফিরে যায় বরপক্ষ। আর ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পান মেয়ের বাবা।

মন্তব্য পড়ুন 0