বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামরুল হাসানের সঙ্গে ভগ্নিপতি সাহাদাত হোসেনের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার বিকেলে সরদারবাড়ি এলাকায় কামরুলকে ছুরিকাঘাত করেন সাহাদাত। স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় কামরুলকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই হাজীগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল মাহমুদসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ বলেন, হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। চাঁদপুর থেকে ফরিদগঞ্জ থানা–পুলিশ লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শহীদ হোসেন বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে মূল অভিযুক্তকে আটক করেছেন। এ বিষয়ে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন