বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদ একাই বাড়িতে থাকতেন। তাঁর মা–বাবাও বেঁচে নেই। চার ভাইবোনের মধ্যে ফরিদ সবার ছোট। ফরিদের একমাত্র ভাই আফ্রিকাপ্রবাসী। এ ছাড়া দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে।

ফরিদের প্রতিবেশী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত বৃহস্পতিবারের পর থেকে ফরিদ উদ্দিনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফরিদের কোনো খোঁজ না পেয়ে গতকাল সন্ধ্যায় তিনি ফরিদের শয়নকক্ষের জানালা দিয়ে উঁকি দেখেন ফরিদের রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে থানায় খবর দিলে পুলিশ রাত ১০টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফরিদের লাশ উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ফরিদগঞ্জ-হাজীগঞ্জ সার্কেল) সোহেল মাহমুদ ও ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদ হোসেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল মাহমুদ বলেন, ফরিদ উদ্দিনকে হাতে, শরীরে ও গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময় এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফরিদ উদ্দিনের সঙ্গে থাকা মানিব্যাগসহ ঘরের সবকিছুই ঠিক ছিল। এটা পরিকল্পিত হত্যা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফরিদের লাশ উদ্ধার করে আজ শনিবার চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বোন বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন