default-image

ফরিদপুরে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে কর্মরত এক চিকিৎসকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কথিত এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৮।

আজ শুক্রবার দুপুরে শহরের ঝিলটুলী মহল্লার মসজিদবাড়ি সড়কে অবস্থিত ল্যাব এশিয়া নামের একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এক চিকিৎসকের করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তির নাম মো. মকবুল হোসাইন (৪৬)। তিনি পাশের মাগুরা জেলার সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা।

‘মকবুল একজন ভুয়া চিকিৎসক’ ভ্রাম্যমাণ আদালতে এমন অভিযোগ করেন ফরিদপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. নাসিমউদ্দিন। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাবের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজ শাহীনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মকবুল হোসাইনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আফরোজ শাহীন জানান, মকবুল তাঁর ডিগ্রি–সম্পর্কিত কোনো সনদ দেখাতে পারেননি। তিনি যে অপরাধ করেছেন, এটি স্বীকার করতে রাজি হননি। এ জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। ফলে নিয়মিত মামলার সুপারিশ করা হয়েছে। পরে ফরিদপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. নাসিমউদ্দিন বাদী হয়ে মকবুলকে আসামি করে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

নাসিমউদ্দিন বলেন, ভুয়া চিকিৎসক চিকিৎসা পেশার জন্য হুমকিস্বরূপ। তাঁরা দিয়ে ভুল চিকিৎসা সম্পাদিত হয় ও মানুষ প্রতারিত হয়। এ জন্য বিবেকের তাড়নায় তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

এ দিকে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. মকবুল হোসাইন বলেন, তিনি ভুয়া চিকিৎসক নন। এমবিবিএসসহ যেসব বিষয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি সাইনবোর্ড সাঁটিয়েছেন, সেসবের প্রতিটি তাঁর আছে। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তিনি ফরিদপুরে আসার সময় সঙ্গে আনেননি। তিনি ওই কাগজ দেখানোর জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এক ঘণ্টা সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে সেই সময় দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজ শাহীন জানান, অভিযান শুরু করার দীর্ঘ সময় পর মকবুল এক ঘণ্টা সময় চান। তখন ওই সময় দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। তিনি বলেন, মকবুল প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবেন মর্মে হাইকোর্টে রিট করেছেন। রিটের রায় হয়নি। রিটে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে বলা হয়। স্থিতাবস্থা বজায় রাখার অর্থ তিনি প্র্যাকটিস করতে পারবেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন