বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনিকের পরিবারের ভাষ্য, গত বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে বাড়ি থেকে গ্যারেজের উদ্দেশে বের হন অনিক। কিন্তু রাতে বাড়ি ফেরেননি। অনিকের ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ থাকায় কোনো যোগাযোগও করতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা। পরদিন শুক্রবার সকালে গফুর মাতুব্বর ডাঙ্গি গ্রামের একটি ঝোপের আড়ালে অনিকের লাশ দেখতে পায় কয়েক শিশু। এলাকাবাসী খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ভাষানচর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. ছমির ব্যাপারী বলেন, অনিক ও রকিব একই গ্যারেজে কাজ করতেন। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড মন্তব্য করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি। প্রাণে মেরে ফেলতে হবে, এমন কোনো শত্রু অনিকের থাকতে পারে বলে এলাকার কেউ বিশ্বাস করছে না।

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত গোলদার বলেন, অনিকের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় রকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন