বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি স্বপন কুমার পাল বলেন, স্থানীয় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (২০) মাদ্রাসায় আসা-যাওয়ার পথে উত্ত্যক্ত করতেন জিন্দার আলী। তাঁকে বিয়ের প্রস্তাবও দেন জিন্দার। তবে ওই ছাত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা এ প্রস্তাব বাতিল করে দেন। এতে ক্ষুব্ধ হন জিন্দার। ২০১০ সালের ২০ মে ওই ছাত্রী গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এক কাজে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বাড়িতে ফেরার পথে জিন্দার আলী তাঁকে রাস্তা থেকে তুলে এক খেতের মধ্যে নিয়ে গিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করেন। পরে কাঁচি দিয়ে গলা কেটে ওই ছাত্রীকে হত্যা করেন। ২১ মে সকাল ৮টায় কদমী ভায়া টোংরাইল বনমালীপুর সড়কের দক্ষিণ পাশের খাদ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত ছাত্রীর বাবা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে ওই বছর ২২ মে ফরিদপুর বোয়ালমারী থানায় মামলা করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুল ২০১১ সালের ৭ জুলাই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন। বাদী নারাজি দিলে আদালতের নির্দেশে বোয়ালমারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এনায়েত হোসেন ২০১২ সালে আবার প্রতিবেদন দেন। বাদী আবার নারাজি দিলে আদালত ফরিদপুরের গোয়েন্দা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

এরপর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি গোলাম আবু বক্কর ২০১৩ সালের ৩১ আগস্ট জিন্দার আলীকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর জিন্দার আলীকে গ্রেপ্তার করা হলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মামলার রায় দেওয়া হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন