বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১২ ডিসেম্বর ভাটি কানাইপুর এলাকায় আমজাদ হোসেন তাঁর প্রস্তাবিত পাটকলের মাঠে এক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করেন। ওই মাহফিলে বিতর্কিত ইসলামি বক্তা আবু ত্বহা বক্তব্য দেবেন বলে প্রচার করা হয়। এ ব্যাপারে পুলিশের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হলেও আয়োজকেরা কৌশলে পুলিশের নিষেধাজ্ঞার কথা গোপন করে তাঁদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান। পরে এ ঘটনা নিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা স্থানীয় করিমপুর পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেন।

এ ঘটনায় করিমপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. আবদুল আল মামুন শাহ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে এবং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িটি যে বাড়িতে অবস্থিত, সেই ভাড়া বাড়ির মালিক নান্নু শেখ বাদী হয়ে ভাঙচুর, হত্যার হুমকিসহ নানাবিধ অভিযোগে দুটি মামলা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সজীব ব্যাপারীসহ (২২) সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিরা হলেন রফি মোল্লা (১৮), পারভেজ মোল্লা (২১), আকাশ শেখ (২২), সোহেল (১৮), রফিক মাতুব্বর (২০) ও সাজ্জাদ (২৫)। গ্রেপ্তার তরুণদের মধ্যে সজীব ব্যাপারী ঘটনাস্থল থেকে ফেসবুকে প্রচার করে এলাকাবাসীকে পুলিশের বিরুদ্ধে উসকিয়ে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার, ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম এ জলিল, গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট এলাকার বিট কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. সামসুল আলম বলেন, শনিবার বিকেলে ওই সাতজনকে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে ফরিদপুরের এক নম্বর আমলি আদালতে সোপর্দ করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন