default-image

অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত করোনার টিকা ফরিদপুরে এসে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে বেক্সিমকো ফার্মার শীততাপ নিয়ন্ত্রিত একটি কাভার্ড ভ্যানে করে করোনার টিকা ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। টিকাগুলো গ্রহণ করে ফরিদপুর জেলা হাসপাতালে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। মোট পাঁচটি বক্সে এসব টিকা আসে।

টিকা গ্রহণ অনুষ্ঠানে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ছিদ্দীকুর রহমান, ফরিদপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার তানিয়া আক্তার উপস্থিত ছিলেন। এরা সবাই টিকা গ্রহণ প্রস্তুত কমিটির সদস্য।

সিভিল সার্জন ছিদ্দীকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের ছয় হাজার অ্যাম্পুল দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি অ্যাম্পুল থেকে ১০ জনকে দেওয়া সম্ভব। সেই হিসাবে ৬০ হাজার ব্যক্তিকে আমরা টিকা দিতে পারব।’ তিনি বলেন, অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দায়িত্বশীল এবং ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের আগে টিকা দেওয়া হবে। এখন তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে অনলাইনে।

বিজ্ঞাপন

সিভিল সার্জন ছিদ্দীকুর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা সম্ভব হবে টিকা প্রদান কার্যক্রম।

ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুরের ১৪টি টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ফরিদপুরের ৮টি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি করে মোট ৮টি, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪টি ও ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ২টি কেন্দ্র রয়েছে।

প্রতিটি কেন্দ্রে ছয় সদস্যের একটি দল কাজ করবে। এর মধ্যে দুজন স্বাস্থ্যকর্মী, যাঁরা টিকা প্রদান করবেন এবং তাঁদের সহযোগিতা করবেন আরও চারজন স্বেচ্ছাসেবী।
টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরুর আগে টিকাদানকারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তবে কবে থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হবে, তা এখনো জানা যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন