এরই অংশ হিসেবে আজ সকাল সাতটার দিকে অতর্কিতে রফিকের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আলমগীর মিয়ার সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালান। এ হামলায় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন আলমগীরের সমর্থক সিরাজুল। এ হামলায় আলমগীরের আরও ১২ সমর্থক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে সিরাজুলের মৃত্যুর খবরে আলমগীরের সমর্থকেরা সংঘবদ্ধ হয়ে রফিকের সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। এ সময় লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।

এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান বলেন, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে পুলিশ। যদুনন্দীতে দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দেশীয় অস্ত্র জমা নেওয়া হয়েছে। তারপরও এ এলাকাকে শান্ত করা যাচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, গত ২১ এপ্রিল এই দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আহত হন বেশ কয়েক পুলিশ সদস্য। ওই সময় ইউপি চেয়ারম্যান রফিক ও আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ওপর হামলার মামলায় তাঁদের আসামি করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। গত ২৮ এপ্রিল রফিক ও আলমগীরকে আদালত জামিন দেওয়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে আবার উত্তেজনা দেখা দেয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন