ফরিদপুরে আজ সংবাদ সম্মেলন করে এ মামলার আসামি আমিরুল মৃধার গ্রেপ্তারের খবর জানায় পুলিশ। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জামাল পাশা।

১৯ জুন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আমিরুল শিশুটিকে টাকার লোভ দেখিয়ে শহরের চর কমলাপুর এলাকার একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বাদীর মেয়ে (৮) শহরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বাদীর স্বামী জীবিকার তাগিদে দুবাই থাকেন। বাদী তাঁর বাসার পাশের একটি মেসে রান্নার কাজ করেন। ১৯ জুন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আমিরুল শিশুটিকে টাকার লোভ দেখিয়ে শহরের চর কমলাপুর এলাকার একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন।

আমিরুল মৃধা বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের খরসুতি এলাকার বাসিন্দা। তিনি শহরের দক্ষিণ কালীবাড়ী এলাকায় ভাড়া থেকে কখনো রিকশা চালান, কখনো বাসচালকের সহকারীর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, আজ বিকেলে এ ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি আমিরুল শিশুটিকে ধর্ষণের দায় স্বীকার করে ফরিদপুরের ১ নম্বর আমলি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নন্দিতা সুরক্ষার সভাপতি তাহিয়াতুল জান্নাত বলেন, ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়া, মামলায় সহযোগিতা, কাউন্সেলিং ও আর্থিক প্রণোদনা তাঁরা দিয়েছেন। শিশুটি ট্রমা পর্যায় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) ফরিদপুরের সমন্বয়কারী শিপ্রা গোস্বামী বলেন, শিশুটির মামলাটির যাবতীয় দায়িত্ব ও ব্যয়ভার বহন করবে ব্লাস্ট।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন