বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিক্ষার্থীরা জানান, সশরীর পরীক্ষা দিলেও অনেক শিক্ষার্থীকে অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীর চতুর্থ বর্ষের ১০টি কোর্সের মধ্যে ৯টিতে প্রথম শ্রেণি পেলেও তুলনামূলক সহজ বিষয় যেমন, সাংগঠনিক আচরণ, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইত্যাদিতে গণহারে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। এটি খুবই হতাশাজনক এবং একই সঙ্গে লজ্জাজনক।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা কোনোভাবেই ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করতে পারছি না। আমরা যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছি এবং পরীক্ষা খুব ভালো দিয়েছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে আমাদের আশানুরূপ ফলাফল তো আসেইনি, বরং সম্মানিত শিক্ষকদের দায়সারাভাবে খাতা মূল্যায়ন করার কারণে আমাদের ফলাফল খারাপ এসেছে।’

গাজীপুরের গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন কিছু শিক্ষার্থী। এর আগেও তাঁরা একই দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। শিক্ষার্থীদের নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর স্মারকলিপি অথবা ফলাফল পুনরায় মূল্যায়নের আবেদন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বদরুজ্জামান বলেন, সবাইকে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার পর সবার খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। অযথা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে হট্টগোল করলে কোনো লাভ হবে না।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, শিক্ষকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। সুতরাং ফলাফল পরিবর্তনের সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে বাসায় ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন