বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাওরের ফসল রক্ষায় সবাই মাঠে আছেন জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দিন সুনামগঞ্জের কৃষকদের জন্য বিপজ্জনক ছিল। প্রথম ধাক্কা সামলানো গেছে। এ ধাক্কায় অনেক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সরকার এসব কৃষকের পাশে দাঁড়াবে। ইতিমধ্যে সরকারি সহায়তা প্রশাসনের কাছে পৌঁছেছে। এই সহায়তা দ্রুত প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের হাতে পৌঁছাতে হবে।

হাওরে স্থায়ী বাঁধ দেওয়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা হাওরের ফসল রক্ষার জন্য আবার বাঁধ দেব। এটা দিতেই হবে। হাওরে স্থায়ী বাঁধ দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা বাঁধ দিই দম ফেলার জন্য—যাতে পাহাড়ি ঢল বা অকাল বন্যা এলে ফসল এক সপ্তাহের জন্য আটকে রাখা যায়।’

এম এ মান্নান আরও বলেন, কৃষিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। আধুনিকীকরণ হয়েছে। এখন যন্ত্র এসেছে। ১০০ জনের কাজ একটি যন্ত্র করতে পারে। আরও পরিবর্তন আসবে। কম সময়ে পাকে, এমন ধানের জাত উদ্ভাবনের জন্য বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন।

এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রীর সঙ্গে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিমল চন্দ্র সোম, শান্তিগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার উজ জামান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. নূর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন