বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রকিবুল হাসান বলেন, ওই দুই ব্যক্তি ভবিষ্যতে আর পাখি শিকার করবেন না, এই মর্মে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন। পরে বকগুলো উপজেলা প্রশাসনের আবাসিক এলাকায় অবমুক্ত করা হয়েছে। ধানখেতের পানিতে থাকা ছোট ছোট মাছসহ জলজ প্রাণী খাওয়ার জন্য এখন চলনবিলে প্রচুর বক আসছে। এ সুযোগে কিছু লোক ফাঁদ তৈরি করে বক শিকার করছেন। তবে চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির তৎপরতায় আজ পাখি শিকার দমন করা সম্ভব হয়েছে।

এ সময় সেখানে চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কলম প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি হারুন অর রশিদসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন