বিজ্ঞাপন

আদিবাসী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নকুল পাহানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নারীরা সমাজের কোথাও আর নিরাপদ নেই। এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটার পরও কিছু মানুষ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মীমাংসার নামে বলা হয়, ভুক্তভোগীর পরিবারে ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নেওয়া হবে, টাকা দেওয়া হবে। এটা কী কোনো কথা হলো!

আজ যিনি এ ধরনের অপকর্ম করেছেন, তিনি কয়েক বছর আগেও শিশুদের ওপর অত্যাচার করেছেন। তখন যদি বিচার হতো, তাহলে আজকের এ ঘটনা ঘটত না। এ ঘটনার বিচার রাষ্ট্রকে এমনভাবে করতে হবে, যাতে এ ধরনের কাজ আর কেউ করতে সাহস না পায়।

default-image

আজ মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আদিবাসী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক তরুন মুন্ডা, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক গণেশ মার্ডি, সাংগঠনিক সম্পাদক বিমল চন্দ্র রাজোয়াড়, দপ্তর সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুসেন কুমার শ্যামদুয়ার প্রমুখ। কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা প্রশান্ত কুমার সাহা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের শিক্ষক আমিরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির জেলা সভাপতি শাজাহান আলী বরজাহান, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির আহ্বায়ক রিদম শাহরিয়ার, ছাত্র নেতা তামিম সিরাজী প্রমুখ।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে ওই কিশোরী গির্জার কাছে ঘাস কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন তানোর থানায় জিডি করেন মেয়েটির ভাই। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে জানা যায়, কিশোরী ফাদার প্রদীপ গ্রেগরির ঘরে আটক আছে। পুলিশ পরদিন সন্ধ্যায় সেখান থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে। সেদিন রাতে কিশোরীর ভাই ফাদারকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। রাতেই র‌্যাব-৫ রাজশাহী নগরের আম চত্বর এলাকায় বিশপ হাউস থেকে ফাদার প্রদীপকে গ্রেপ্তার করে তানোর থানায় সোপর্দ করে। প্রদীপ বর্তমানে কারাগারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন