বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনের আগে দুধকুমার পাড়ের ভাসানী বাড়ি থেকে গফুরের ঘাট পর্যন্ত প্রতীকী লংমার্চ করা হয়। এর মাধ্যমে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস স্মরণ করা হয়।

মানববন্ধন শেষে নদের তীরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে ভাসানী পরিষদ ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখার সভাপতি ইউনুস আলীর সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি ও ভাসানী পরিষদের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম, মাওলানা ভাসানী কৃষক সমিতির সভাপতি ও ভাসানী পরিষদের সদস্যসচিব আজাদ খান ভাসানী প্রমুখ।

মানববন্ধনের আগে দুধকুমার পাড়ের ভাসানী বাড়ি থেকে গফুরের ঘাট পর্যন্ত প্রতীকী লংমার্চ করা হয়। এর মাধ্যমে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস স্মরণ করা হয়।
default-image

শফিকুল ইসলাম বলেন, মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীর দেখানো পথ ধরে বাংলাদেশের ৫৪টি অভিন্ন নদীর ন্যায্য হিস্যা আদায় আজ সময়ের দাবি। এই দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে।

আজাদ খান ভাসানী বলেন, ‘৫৪টি অভিন্ন নদীর ন্যায্য হিস্যা আদায়ের মাধ্যমে আমাদের জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও অর্থনীতির জন্য টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। সোনাহাট স্থলবন্দর সম্প্রসারণ করে দুধকুমার নদ বহুমুখী প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই অঞ্চলের দারিদ্র্য ও জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।’

মানববন্ধন ও সমাবেশে অন্যদের মধ্যে তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন শিকদার, ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম, মাওলানা ভাসানী স্মৃতি সেবা সংঘের সভাপতি মনিরুজ্জামান খান ভাসানী, বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোকাদ্দেস হোসেন শিকদার, দীপক কুমার রায়, হাফিজুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন