হত্যাকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে ফুটপাত ধরে হাঁটছিলেন আনোয়ার হোসেন। তখন পেছন থেকে এক ব্যক্তি তার মাথায় গুলি করে দৌড়ে পালিয়ে যান। ঘটনার পরপরই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আনোয়ার হোসেন।

নিহত ব্যক্তির সঙ্গে ব্যবসা করতেন তাঁর এক প্রতিবেশী ফারুক হোসেন। তিনি জানান, নিহত আনোয়ার হোসেন ১৯৯৬ সালে ফিলিপাইনে যান। পরে তিনি ওই দেশে গার্মেন্টসের ব্যবসা শুরু করেন। ফিলিপাইনে গার্মেন্টস ব্যবসার একটি অ্যাসোসিয়েশন আছে। আনোয়ার হোসেন সেই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আনোয়ার ভাই আমাদের ব্যবসায় সার্বিক সহযোগিতা করতেন। তিনি ফিলিপাইনের পাসপোর্টধারী ছিলেন। তাঁর লাশ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’

নিহতের চাচাতো ভাই আনোয়ার বলেন, চার-পাঁচ মাস আগেও ভাই দেশে এসেছিলেন। তিনি ২৬ বছর ধরে ফিলিপাইনে বসবাস করেন। সেখানেই বিয়ে করেছিলেন। তাঁরা সাত ভাই। বাকি ছয় ভাই দেশে থাকেন। দেশে থাকা অন্য ভাইদের সঙ্গে তাঁর সব সময় যোগাযোগ ছিল। তিনি বলেন, ফিলিপাইনে জানাজার পর তাঁর লাশ ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

নিহত আনোয়ার হোসেনের আত্মীয় নুরুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ১২ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ থেকে গার্মেন্টস পণ্য নিয়ে ফিলিপাইনে বিক্রি করে আসছিলেন আনোয়ার। গত বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি থেকে অফিসে যাচ্ছিলেন। পথেই অস্ত্রধারী এক ব্যক্তি তাঁকে গুলি করেন। গুলির পরপরই স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ফিলিপাইনের পুলিশ আটক করেছে বলে আনোয়ারের পরিবার জানিয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন