আহত শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, বুধবার দুপুরে টিফিনের সময় বিদ্যালয় মাঠে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে ওই আটজন ফুটবল খেলে। ফুটবল খেলার অপরাধে ওই দিন দুপুরে ইসমাইল, নাইম, সাকিব ও লিখনকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ডেকে নেওয়া হয়। এ সময় ওই চার ছাত্র প্রধান শিক্ষকের কাছে ক্ষমা চান। তখন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক তাদের বেত্রাঘাত করতে থাকেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ফুটবল খেলায় অংশ নেওয়া বাকি চার ছাত্র রানা, শামীম, ইব্রাহিম ও হৃদয়কে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ডেকে নেন সহকারী শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক। এরপর ছাত্রদের বেদম মারপিট করা হয়। ছাত্রদের বেত্রাঘাত করার সময় দুটি বেতের লাঠি ভেঙে ফেলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক কৌশিক সাহা বলেন, আহত ছাত্রদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের ওষুধের ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়।

সহকারী শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে ওই শিক্ষার্থীদের সামান্য ‘হেদায়েত’ করা হয়েছে।

জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ছেলেরা অন্যায় করেছে। তাই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

নাজিরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহিদুল ইসলাম বলেন, আট ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন