বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্লাবিত এলাকায় ৩০০ পরিবারের মধ্যে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এর আগে দুপুরে ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌসী বেগম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এন এম নুরুজ্জমান ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন।

উপজেলা প্রশাসন, পাউবো ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, বুধবার রাত সাড়ে আটটায় পাহাড়ি ঢল ও উজানের পানির চাপে মুহুরী নদীর ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের জয়পুর অংশের একটি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। এতে ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের জয়পুর, পশ্চিম ঘনিয়ামোড়া, পূর্ব ঘনিয়ামোড়া ও কিসমত ঘনিয়ামোড়া গ্রাম প্লাবিত হয়। বুধবার রাতে ফেনী-পরশুরাম সড়কের উপজেলা সদরের ফুলগাজী বাজার অংশে এক ফুট ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। তবে সকালের দিকে বাজার অংশে সড়কের ওপর থেকে পানি নেমে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আক্তার হোসেন মজুমদার বলেন, মুহুরী নদীর পানি কিছুটা কমলেও এখনো বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গ্রামের পানিও ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। উজানে বৃষ্টি না হলে ও পাহাড়ি ঢলের পানির চাপ না থাকলে দ্রুতই পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

এর আগে গত ১ জুলাই টানা বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি পানি চাপে মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে ওই গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন