বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা খাদ্য অফিসের কর্মচারী রুনা লাইলা বাদী হয়ে শহিদুল ইসলামকে আসামি করে ফুলপুর থানায় মামলা করেছেন।

ইউএনও শীতেষ চন্দ্র সরকার জানান, সিংহেশ্বর গ্রামের শহিদুল ইসলামের দোকানে ১০ টাকা কেজি দরের সরকারি চাল কিনে মজুত করে রাখা হয়েছে, গোপন মাধ্যমে এ সংবাদ পান তাঁরা। গতকাল রাতে ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৮৪ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। এ সময় দোকানমালিক শহিদুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এভাবে চাল বিক্রির পর মজুত করে রাখা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া চাল খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বলে স্বীকার করেছেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রাশিদুল হাসান। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় উপজেলা খাদ্য অফিসের অনিয়মের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় লোকজন। তাঁদের অভিযোগ, কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এভাবে চাল বিক্রির পর মজুত করে রাখা হয়েছে।

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, চাল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। অভিযুক্ত শহিদুল ইসলামকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন