বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে মো. ইয়াছিন ও শিরিন আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাঁদের মধ্যে কলহ চলছিল। ২০১৯ সালের ৫ মার্চ রাতে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় গৃহবধূ শিরিনকে বৈদ্যুতিক শকের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। ৭ মার্চ এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় গৃহবধূর মা রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। আসামি ইয়াছিনকে গ্রেপ্তার করার পর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

২০২০ সালের ১৮ জানুয়ারি ইয়াছিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ওই বছরের ২০২০ সালের ৬ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। চলতি বছরের ১৬ নভেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। এই মামলায় আটজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী আলতাফ হোসেন জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. ইয়াছিন কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুস ছাত্তার বলেন, ‘এই রায়ে আসামির ওপর ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আমরা রায়ের কপি নিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করব।’

সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হাফেজ আহাম্মদ বলেন, আসামি ইয়াছিন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে স্ত্রীকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সর্বোচ্চ দণ্ড দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন