বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হত্যা মামলার রায় ঘোষণার সাড়ে তিন বছর পর গতকাল শুক্রবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জিয়াউরকে ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের ধোনসাহাদ্দা গ্রাম (শ্বশুরবাড়ি) থেকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, একরাম হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেও জিয়াউরকে আজ শনিবার ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ফেনী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন জানান, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু ওই আসামি একরাম হত্যার ঘটনার পরপরই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তিনি তখন আদালতে হাজির হয়ে ১৬৪ ধারায় জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিজে একরাম হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এরপর উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে পালিয়ে যান। কিন্তু মামলার অভিযোগপত্র দেওয়ার সময় তাঁর বাবার নাম ভুলবশত মোহাম্মদ হানিফের পরিবর্তে আজিজ লেখা হয়। যে কারণে ওই আসামিকে হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি না দেখিয়ে আপাতত ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে মামলার অভিযোগপত্রে বাবার নাম সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করে তাঁকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানো হবে।

পুলিশ জানায়, ২০১৪ সালের ২০ মে ফেনী শহরের একাডেমি এলাকায় একরামুল হককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে, কুপিয়ে, গুলি করে হত্যার পর তাঁর গাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। ২০১৮ সালের ১৩ মার্চ ফেনীর তৎকালীন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আমিনুল হক মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ৫৬ আসামির মধ্যে ৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৬ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির, ফেনী পৌরসভার তৎকালীন কাউন্সিলর আবদুল্লাহ হিল মাহমুদসহ ২২ আসামি কারাগারে, বাকিরা পলাতক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন