বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত ব্যক্তির চাচা আতাউল ইসলাম বলেন, ১৬ অক্টোবর এমদাদুল হক দোকানের জন্য কিছু জিনিস কিনতে ফেনী শহরে যান। বিকেলে ফেনী বড় মসজিদে আসরের নামাজ শেষে বের হওয়ার সময় এমদাদ সংঘর্ষের মধ্যে পড়েন। এ সময় তিনি মাথা ও মুখে গুলিবিদ্ধ হন। এরপর তাঁকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের লোকজন এমদাদকে সোনাগাজী পৌর শহরের বাসায় নিয়ে যান। বাসায় থেকেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাতে এমদাদের অবস্থার অবনতি হলে গতকাল ভোরে তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়।

আতাউল ইসলাম আরও বলেন, এমদাদের লাশ বাড়িতে আনার পর দাফনের প্রস্তুতি চলছিল। তবে গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে সোনাগাজী মডেল থানা-পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নিয়ে গেছে। ময়নাতদন্তের পর আজ শনিবার বিকেলে জানাজা শেষে তাঁর লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এমদাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহত ব্যক্তির লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

প্রসঙ্গত, ১৬ অক্টোবর বিকেলে শহরের ট্রাংক রোডে কালীমন্দিরের সামনে জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু করে। এ সময় পাশের ফেনী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে আসরের নামাজ শেষে বের হওয়া কিছু লোকের সঙ্গে মানববন্ধনকারীদের সংঘর্ষ বাঁধে। এক পর্যায়ে পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের লোকজন বাঁশপাড়ার দিকে চলে যান। কিছুক্ষণ পর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের লোকজনের সঙ্গে যোগ দেন ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা-কর্মী। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে আবার সংঘর্ষ বাঁধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই পক্ষকে লাঠিপেটা করে। এ ছাড়া কাঁদানে গ্যাসের শেল ও বেশ কয়েকটি শটগানের গুলি ছোড়ে। এ সময় পাল্টাপাল্টি ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ সময় ফেনী মডেল থানার ওসি মো. নিজাম উদ্দিনসহ কয়েকজন আহত হন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন