বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার ১০ জন হলেন পিরোজপুরের রাব্বি ওরফে রাকিব (১৮), বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের জামাল বাদশা (২০), একই এলাকার হেলাল হোসেন (২৪), ফেনী সদর উপজেলার তুহিন হোসেন (২৬), বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের ইমরান হোসেন ইমন (১৯), লক্ষ্মীপুর সদরের খায়রুল ইসলাম হৃদয় (১৯), ফেনী সদর উপজেলার শাহরিয়ার আমির রায়হান (১৬), ফেনীর সোনাগাজীর রাহাদুল ইসলাম (১৬), একই এলাকার আরমান হোসেন ফাহাদ (১৭) ও ইমাম হোসেন সারুফ (১৬)।

পুলিশ জানায়, হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার একাধিক আসামি এর আগে ফেনীর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব আসামিদের নাম আনেন। এ ছাড়া হামলার একাধিক ভিডিও চিত্রে তাঁদের দেখা গেছে।

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন রাব্বি ওরফে রাকিব (১৮), জামাল বাদশা (২০), হেলাল হোসেন (২৪) ও তুহিন হোসেন (২৬)।

সিআইডি আজ বিকেলে তাঁদের ফেনীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠায়। তাঁদের মধ্যে রাব্বি ও জামাল দুজন ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসানের আদালতে এবং হেলাল ও তুহিন দুজন ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ধ্রুব জ্যোতি পালের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পরে তাঁদের ফেনী কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাকিদের মধ্যে খায়রুল ও ইমরানকেও আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে শাহরিয়ার (১৬), রাহাদুল (১৬), আরমান (১৭) ও ইমাম (১৬) এই চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাঁদের ফেনীর শিশু আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের বিচারক ওসমান হায়দার ওই চারজনকে টঙ্গীর শিশু–কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দিয়ে ফেনী কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

এ নিয়ে মন্দির-আশ্রমে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় এ যাবৎ মোট ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ইতিমধ্যে ১০ জন আসামি দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

ফেনীতে গত ১৬ অক্টোবর রাতে শহরের কালীপাল গাজীগঞ্জ মহাপ্রভুর আশ্রম, ট্রাংক রোড ও বড় বাজারের দুটি কালীমন্দিরে হামলা, শহরের তাকিয়া রোডে হিন্দুদের বেশ কিছু দোকানপাটে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় পুলিশ, র‍্যাব ও মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে ফেনী মডেল থানায় মোট চারটি পৃথক মামলা করা হয়। এর মধ্যে ইতিমধ্যে দুটি মামলা ফেনী থানা-পুলিশ থেকে সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন