বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ৩ এপ্রিল রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী সদর উপজেলার পাগলা মিয়া রাস্তার মাথা এলাকায় চট্টগ্রামগামী একটি ব্যক্তিগত গাড়িকে থামার জন্য পুলিশ সংকেত দেয়। কিন্তু গাড়িটি সংকেত উপেক্ষা করে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ গাড়িটি ধাওয়া করে আটক করে।

এ সময় ওই গাড়িতে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ২০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয় এবং রফিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ওই বছর ফেনী সদর মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. জসিম উদ্দিন বাদী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ওই বছর ৩০ এপ্রিল ফেনী সদর মডেল থানার এসআই মো. দেলোয়ার হোসেন একমাত্র আসামি হিসেবে মো. রফিকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর মামলার ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৫ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

জ্যেষ্ঠ সহকারী কৌঁসুলি দ্বিজেন্দ্র কুমার কংশবণিক বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তিনি অল্প কিছুদিন কারাগারে ছিলেন। জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর থেকে তিনি আর আদালতে হাজির হননি। রায়ে বলা হয়, আসামি স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পন করলে অথবা গ্রেপ্তারের দিন থেকে তাঁর সাজা কার্যকর হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন