বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্র জানায়, দক্ষিণ জায়লস্কর গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে নুর নবীর সঙ্গে তাঁর স্বজন মো. মোস্তফার জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো। ২০০৭ সালের ৭ অক্টোবর দুপুরে বাড়ির উঠানে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোস্তফার সঙ্গে নুর নবীর কথা-কাটাকাটি ও তর্কবিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় নুর নবীর ছেলে নুরুল আফছারও বাবার সঙ্গে যোগ দেন। একপর্যায়ে ঘরের সামনে থাকা বাঁশ নিয়ে তাঁরা মোস্তফাকে মারধর করেন। পরে আহত মোস্তফাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় মো. মোস্তফার ছেলে আবুল খায়ের বাদী হয়ে নুর নবী ও নুরুল আফছারকে আসামি করে দাগনভূঁঞা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তাক হোসেন ২০০৮ সালে দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

ফেনী আদালতের জ্যেষ্ঠ সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) দিজেন্দ্র লাল কংশ বণিক জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিরা গ্রেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পণের সময় থেকে সাজা কার্যকর হবে। ঘটনার পর থেকে প্রায় ১৪ বছর তাঁরা পলাতক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন