বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, পুলিশ, র‍্যাব ও মন্দির পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে এসব ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় চারটি পৃথক মামলা করা হয়। সম্প্রতি দুটি মামলা পুলিশের হাত থেকে সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়। আজ সিআইডি পুলিশের দুই তদন্ত কর্মকর্তা দুই মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে আদালতে ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখিয়ে তাঁদের প্রত্যেককে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিন করে রিমান্ডের আবেদন জানান। আদালত শুনানি শেষে প্রত্যেকের এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ফেনীতে ১৬ অক্টোবর রাতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দিরে ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় দুটি মামলার তদন্ত করছে সিআইডি।

রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছেন করিমুল হক রুবেল (৩০), মাহিনুল করিম ভূঞা মহিন (১৮), কামরুল ইসলাম (২৫) ও মো. সাইদুল ইসলাম (২৯)। তাঁদের মধ্যে করিমুল হককে দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং দুই মামলাতেই তাঁর এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

ফেনীতে সিআইডি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, ফেনীতে ১৬ অক্টোবর রাতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দিরে ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় দুটি মামলার তদন্ত করছে সিআইডি। আজ পাঁচ আসামির এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। তাঁরা ফেনী কারাগারে রয়েছেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগার থেকে পরে নিয়ে আসা হবে।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, ফেনীতে হিন্দুদের মন্দির, আশ্রম ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় করা ৪টি মামলায় ইতিমধ্যে ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার সবাইকে বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ও নানাভাবে যাচাই করে শনাক্ত করা হয়েছে। একইভাবে অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে চারটি মামলার দুটি সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন