বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দলীয় সূত্র জানায়, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে তিনজন আবেদন জানান। তাঁরা হলেন শুসেন চন্দ্র শীল, উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মজিবুল হক ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শাখাওয়াত হোসেন। তাঁদের মধ্যে শাখাওয়াত হোসেন সাবেক সাংসদ জয়নাল হাজারীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

নেতা-কর্মীরা বলেন, উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলীয় মনোনয়ন পেতে প্রার্থীদের কাছে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। তখন শুসেন, মজিবুলসহ ছয় স্থানীয় নেতা মনোনয়ন পেতে জেলা আওয়ামী লীগের কাছে আবেদন জানান। তবে শাখাওয়াত জেলা আওয়ামী লীগের কাছে আবেদন করেননি। তিনি ঢাকায় কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের কাছে আবেদন করেন।

৭ সেপ্টেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ফেনী সদর উপজেলা ও ফেনী পৌরসভা আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাদের মধ্যে ভোটাভুটি হয়। এতে শুসেন চন্দ্র শীলকে জয়ী ঘোষণা করা হয়।

জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এ কে এম শহীদুল্লাহ খোন্দকার বলেন, তৃণমূলের ভোটাভুটিতে শুসেন চন্দ্র জয়ী হয়েছে। জেলায় দলীয় বৈঠকে সিদ্ধান্তের আলোকে তাঁর নামই কেন্দ্রে পাঠানো হয় ও কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ড জেলার প্রস্তাবই অনুমোদন করেছে।

শুসেন চন্দ্র শীল বলেন, তিনি মনোনয়ন পেয়েছেন বলে শুনেছেন। তবে চিঠি হাতে পাননি। মনোনয়ন পাওয়ায় তিনি প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দলীয় নেতা-কর্মীরা তাঁর পাশে থাকবেন।

আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী মজিবুল হক বলেন, কেন্দ্র থেকে যাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সেটাই মেনে নেবেন। তবে শাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলা যায়নি।

এদিকে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত হলো, এ সরকারের অধীনে কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না। এ সরকার নির্বাচনের সব কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন