default-image

সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেও মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া নৌপথে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। আর সেই ভিড় সামলে ফেরিতে আগে ওঠা নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত চারজন। রোববার দুপুরে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

বিআইডব্লিউটিসি ঘাট সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রী ভিড় বাড়তে থাকে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে। যাত্রীর চাপ সামলাতে বাড়ানো হয় ফেরির সংখ্যা। এর আগে দিনের বেলায় পাঁচটি ফেরি চলাচল করলেও রোববার সকাল থেকে চালু করা হয় সাতটি ফেরি। তবু যাত্রীরা চাপ বেশি থাকায় কিছু যাত্রী বিকল্প উপায়ে অবৈধভাবে চলা স্পিডবোট ও ট্রলারে পদ্মা পারাপার হচ্ছে। আর যারা স্পিডবোট বা ট্রলারে উঠতে পারছে না তারা ফেরিতে উঠতে রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ফেরিতে আগে ওঠা নিয়ে যাত্রীদের মাঝে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। দুপুরের দিকে কয়েকজন যাত্রী ফেরিতে ওঠা নিয়ে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। একপর্যায় লাঠি দিয়ে তাঁরা নিজেদের মধ্যে মারামারি শুরু করে দেন। পরে খবর পেয়ে ঘাটে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় আহত হন অন্তত চার যাত্রী। আহত যাত্রীরা ঘাটেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ফেরিতে পদ্মা পারাপার হন।

বিজ্ঞাপন

মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ফেরিতে ১৮ ক্যাটাগরির যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। ফেরিতে যাঁরা যাচ্ছেন, তাঁরা জরুরি প্রয়োজনে পার হচ্ছেন। ফেরি সীমিত চলায় ঘাটে যাত্রীর ভিড় থাকে। আর সেই ভিড় সামলে ফেরিতে উঠতে যাত্রীরা নিজেদের মধ্যেই তাড়াহুড়া শুরু করেন। দুপুরের দিকে একটি ছোট ফেরিতে আগে ওঠা নিয়ে কিছু যাত্রীর মধ্যে হট্টগোল শুরু হলেও পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’

জানতে চাইলে বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (পিআই) মো. আশিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘাটে যাত্রীদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় আমাদের কাছে কোনো যাত্রী লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তারা অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা নিতাম।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন