বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুরুতে এই নৌপথে চারটি ফেরি চললেও বর্তমানে ফেরি চালু আছে দুটি। এ কারণে ঘাটে এমন বেসামাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে বলে মন্তব্য যাত্রী ও যানবাহনের চালকদের। তাঁদের দাবি, ভিড় অনুযায়ী প্রতিদিন অন্তত ছয়টি ফেরি চালু রাখা প্রয়োজন।

দুটি ফেরিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। ফেরিসংকট থাকায় আপাতত এই নৌপথে আর ফেরি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।
মাহবুবুর রহমান, ব্যবস্থাপক, কাজীরহাট ফেরিঘাট

বিআইডব্লিউটিসির কাজীরহাট ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, দুটি ফেরিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। ফেরিসংকট থাকায় আপাতত এই নৌপথে আর ফেরি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। ত্রুটি দেখা দেওয়া ফেরি দুটি মেরামত না হওয়া পর্যন্ত আপাতত এই দুই ফেরি দিয়েই যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

ঘাট কর্তৃপক্ষ ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাবনা, নাটোর, রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষ বঙ্গবন্ধু সেতুর পরিবর্তে কাজীরহাট-আরিচা নৌপথে ঢাকায় যাতায়াত করছেন। ফলে এই পথে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ আগের চেয়ে এখন অনেক বেড়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় গত বুধবার থেকে বেগম রোকেয়া ও কপোতী নামে দুটি ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে এই নৌপথে বেগম সুফিয়া কামাল ও কলমিলতা নামের দুটি ফেরি চলছে। এর মধ্যে কলমিলতা নামের ফেরিটি ছোট আকৃতির ও বেশ ধীরগতির।

গতকাল কাজীরহাট ট্রাক টার্মিনাল থেকে শুরু করে কাশিনাথপুর-কাজীরহাট সড়কে প্রায় দুই কিলোমিটার ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন আরিচায় যাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী ছোট গাড়িগুলোকে ফেরিতে ওঠার সুযোগ দেওয়ায় কোনো কোনো পণ্যবাহী ট্রাককে আরিচায় যাওয়ার জন্য দুই থেকে তিন দিন ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

আটকে থাকা এক ট্রাকের চালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘সোনামসজিদ থিক্যা পাথর নিয়্যা দুদিন আগে ঘাটে আইসি। কিন্তু এখনো পার হওয়ার সুযোগ পাই নাই। আটকে থাকায় খাওয়া ও টয়লেট নিয়্যা চরম দুর্ভোগ পোহানো লাগতেছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন