বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) যুগ্ম পরিচালক (উদ্ধার) মো. ফজলুল রহমান প্রথম আলোকে বলেন, পুরো কাজটি করতে ২ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলে জানিয়েছে জেনুইন এন্টারপ্রাইজ। বিআইডব্লিউটিএর তত্ত্বাবধানেই উদ্ধারকাজ হবে এবং যাবতীয় ব্যয় তারাই বহন করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের সমুদ্রসীমা বা উপকূলীয় এলাকায় মার্চেন্ট জাহাজ বা বড় নৌযান দুর্ঘটনা ঘটলে উদ্ধার করতে উচ্চক্ষমতার ক্রেনসহ কোনো উদ্ধারকারী নৌযান বাংলাদেশে নেই।

গত বুধবার সকাল ৯টার দিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ঘাট থেকে ১৭টি পণ্যবাহী গাড়ি ও কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে আমানত শাহ ফেরিটি ছেড়ে আসে। মাঝপথে আসার পরপরই ফেরির পেছনের বাঁ দিক থেকে পানি উঠতে থাকে। সকাল পৌনে ১০টার দিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ঘাটের পন্টুনে ভেড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফেরি থেকে তিনটি পণ্যবাহী যান দ্রুত নেমে যায়। এ সময় আরেকটি পণ্যবাহী গাড়ি ফেরি থেকে নামার সময় ফেরিটির এক পাশ কাত হয়ে যায়। এ সময় ওই গাড়ি নদীতে পড়ে। এর পরপরই অন্যান্য যানবাহন নিয়ে পন্টুনের কাছে পদ্মা নদীতে ফেরিটি ডুবে যায়।

ফেরি আমানত শাহ ১৯৮০ সালে সংগ্রহ করে বিআইডব্লিউটিসি। অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল অধ্যাদেশ অনুযায়ী এটির অর্থনৈতিক জীবন আগেই শেষ হয়ে গেছে। গত রোববার বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, ‘উদ্ধারের পর ফেরিটি নিয়ে কী করা হবে, সে বিষয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত চাইব। এখনো এটি সংস্কার করার সিদ্ধান্ত হয়নি। যেহেতু ফেরিটির অনেক বয়স হয়েছে, এটি সংস্কার করলে কত দিন চালানো যাবে, তা বলা যাচ্ছে না। আমরা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে এটিকে নিলামে বিক্রি করে দিতে পারি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন